বাংলাদেশের খবর
সচিবালয়ে আগুনে পুড়েছে পাঁচ মন্ত্রণালয়
প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে গভীর রাতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে পাঁচটি মন্ত্রণালয়। বুধবার দিবাগত রাত প্রায় দুইটার দিকে নয়তলা একটি ভবনে লাগা এই আগুন ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের টানা ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ভবনটির চারটি তলায় অবস্থিত স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; সড়ক পরিবহন ও সেতু, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র, কম্পিউটার ও আসবাব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
আগুন নেভানোর কাজ করতে গিয়ে ট্রাকচাপায় মো. সোহানুর জামান নামে ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য নিহত হয়েছেন।
সচিবালয় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর (কেপিআই) একটি। এখানে নজিরবিহীন এই ভয়াবহ আগুনের উৎস এখনো জানা যায়নি। রাজনীতিবিদ ও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কেউ কেউ এই আগুনের পেছনে ষড়যন্ত্র আছে বলে মনে করলেও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাবে না।
এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সভায় ঘটনার তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবকে প্রধান করে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের প্রধানকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। পরে এই কমিটি বাতিল করা হয়।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পৃথক কমিটি করেছে। এসব কমিটির বড় কাজ হবে ক্ষতি নিরূপণ করা।
গত বুধবার ছিল বড় দিনের ছুটি। এ দিন গভীর রাতে সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে ৭ নম্বর ভবনে। এই ভবনে রয়েছে, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগসহ আরও কিছু দপ্তর। তবে, আগুনের ঘটনায় ছয়, সাত, আট ও নবম তলায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, তারা আগুন লাগার খবর পায় গত বুধবার দিবাগত রাত ১টা ৫২ মিনিটে। এর পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তারা। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে মোট ১৯টি ইউনিটের ২১১ জন কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
সচিবালয়ের ভেতরে ফায়ার সার্ভিসের একটি স্টেশনে রয়েছে। সেখানকার একাধিক কর্মী বলেন, আগুন লাগার প্রথম খবর দেন পুলিশের এক কনস্টেবল। তিনি ফায়ার স্টেশনে এসে জানায় সাত নম্বর ভবনের ষষ্ঠ তলার পশ্চিম পাশে আগুন লেগেছে। খবর শুনে পাঁচজন ফায়ার ফাইটার অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র (এক্সটিংগুইশার) নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। ষষ্ঠ তলায় আগুন নেভাতে গিয়ে তাঁরা দেখেন ভবনের মাঝখানে ও পূর্বপাশে আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে। সঙ্গে সঙ্গে সদর দপ্তরসহ ঢাকার বিভিন্ন ফায়ার স্টেশনে খবর দিলে তারা এসে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেন।
সকাল ৮টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। তবে আগুন পুরোপুরি নিভেছে বেলা পৌনে ১২টায়।
পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলের আশপাশে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিল।
আগুনের কারণ জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল গতকাল সকালে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখনো সেটা জানা সম্ভব হয়নি। আগুন নেভানোর পর তদন্তে বিষয়টি জানা যাবে।’
পরে সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র জানায়, তাঁরা ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা ও তদন্তের পর আগুনে লাগার পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
আসবাব পুড়ে কয়লা, নথিপত্র ছাই
গতকাল ভোর ছয়টার দিকে সচিবালয়ের সামনে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের একদিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাচ্ছেন তো, অন্যদিকে আবার দাউ দাউ করছে আগুন। দেখে মনে হয় একই ভবনে দুই দিকে আগুন জ্বলছে। সকাল সাড়ে ৯টায় ৭ নম্বর ভবনের চারপাশে দেখা যায়, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে জানালার ভাঙা গ্লাস। ভবনের চারদিকে ফায়ার সার্ভিসের ছিটানো পানি। কয়েকটি কবুতর মরে পড়ে আছে।
ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক কর্মী ইমরান শিকদার এই আগুন নেভানোর কাজে যুক্ত ছিলেন। কথা হয় তাঁর সঙ্গে। তিনি গতকাল বলেন, সকাল আটটার দিকে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিতে তিনি ও তাঁর এক সহকর্মী নিচতলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে আটতলায় ওঠেন। ভবনে ঢোকার সময় পুড়ে যাওয়ার ঝাঁজালো গন্ধ পান। এ সময় কালো ধোঁয়া বের হচ্ছিল। তাতে তাঁর চোখ জ্বলছিল।
ভবনটির ছয়তলা থেকে আগুনে পোড়ার দৃশ্য দেখতে পান জানান ইমরান শিকদার। তবে তাঁদের দায়িত্ব ছিল ৮ ও ৯ তলায়। আটতলায় ফাইলপত্র রাখার অসংখ্য কেবিনেট, আসবাবপত্র পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে। আর নথিগুলো পুড়ে ছাই হয়ে মেজেতে স্তূপ হয়ে আছে। সেগুলো থেকেও ধোঁয়া বের হচ্ছিল। ভবনের দেয়ালের টাইলস ও আস্তর পুড়ে মেজেতে পড়ে আছে। ঝুলন্ত পাখা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্রের (এসি) তারগুলো পুড়ে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। এ সময় পুড়ে যাওয়া বাক্সবন্দী ফাইল পত্র থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছিল। এ রকম বাক্সে পানি ছিটিয়ে কিছু ফাইল বের করে আনেন। কিন্তু সেগুলোরও অর্ধেকটা পুড়ে গেছে। তবে হতাহত কাউকে পাননি তাঁরা।
৮ তলার বারান্দায় একটি কুকুর পুড়ে অঙ্গার হয়ে পড়েছিল জানিয়ে ইমরান শিকদার বলেন, পরে সেটি নামিয়ে আনা হয়। বেলা পৌনে ১২টার দিকে তারা আগুন নিভিয়ে ফেলার পর নিচে নেমে আসেন। ৬ ও ৭ তলায় তাঁর অন্য সহকর্মী আগুন নেভান।
ফায়ার সার্ভিসের আরেক অগ্নিনির্বাপক কর্মী ইউসুফ শেখ বলেন, আগুন এমনভাবে ছড়িয়েছে, তা ধারণার বাইরে ছিল।
বেলা ১১টার দিকে পুড়ে যাওয়া ঘটনাস্থল দেখে আসা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, তাঁদের মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কক্ষ, করিডরসহ অধিকাংশ কক্ষ, সেখানকার নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ভবন থেকে বিভিন্ন আলামত জব্দ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অপরাধ শনাক্তকরণ দল। তাদের একটি সূত্র জানায়, ষষ্ঠ থেকে নবম তলা পর্যন্ত বেশির ভাগ করিডর, কাঠের আসবাবপত্র ও নথিপত্র পুড়ে গেছে। অল্প কয়েকটি কক্ষ অক্ষত দেখেছে। এর মধ্যে একটি কক্ষের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) ও ডিভিআর অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
সিআইডির অপরাধ শনাক্ত করণ দলের পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার দেবনাথ বলেন, ডিভিআর দেখে আগুন লাগার উৎস জানার চেষ্টা করবেন তাঁরা। কাঠের পোড়া অংশ, কাচের গলিত অংশসহ বিভিন্ন পোড়া জিনিসপত্র আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। এসবের রাসায়নিক পরীক্ষা করা হবে। কোনো গান পাউডার ব্যবহার করা হয়ে থাকলে তা পরীক্ষায় বেরিয়ে আসবে।
আগুনে লাগার ঘটনার কারণে গতকাল সচিবালয়ে প্রবেশে কড়াকড়ি করা হয়। একটি ফটক দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। ফলে প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে।
আগুন নেভাতে এত সময় কেন
সচিবালয়ের মতো একটি জায়গায় আগুন নেভাতে এত সময় লাগার কারণ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক সদস্য বলেছেন, আগুন নেভাতে গিয়ে তাঁদের পদে পদে প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে। সচিবালয়ের ফটক দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভেতরে ঢোকাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের দুটি টার্নটেবল লেডার (টিটিএল) ভেতরে ঢুকতে পেরেছে। যদি আরও বেশি টিটিএল ঢুকতে পারত, তাহলে আরও আগে আগুন নেভানো সম্ভব হতো।
সচিবালয়ে ঢোকার মোট ফটক পাঁচটি। তবে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢোকার ফটক আছে মাত্র দুটি। এই দুই ফটক দিয়েও ফায়ার সার্ভিসের বড় গাড়ি ঢুকতে সমস্যা হয়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা। তাঁরা বলেন, সচিবালয়ের ৪ নম্বর ফটক দিয়ে ঢুকতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি ভেঙে গেছে।
আগুন নেভানোর কাজ শেষে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সচিবালয় থেকে বের করতেও বেশ সমস্যা হয় বলে জানান কর্মকর্তারা। গাড়ি বের করতে গিয়ে দেয়ালের কয়েকটি জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলেন, আগুন ছড়িয়ে পড়ার একটি বড় কারণ হলো, কাঠ বা পার্টিকেল বোর্ড দিয়ে সরকারি দপ্তরগুলোর সৌন্দর্যবর্ধনের (ইন্টেরিয়র) কাজ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার সময় মন্ত্রণালয়ের কক্ষগুলো ছিল বন্ধ। তালা ভেঙে, জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে হয়েছে। আবার ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভবনের কলাপসিবল গেট কেটে ভেতরে ঢুকে আগুন নেভানোর কাজ করছেন। এসব কারণে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে।
দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু, তদন্ত পর্যন্ত অপেক্ষা
আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর গতকাল সকালে সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আদিলুর রহমান খান, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মো. নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, ফারুক ই আজম, এম সাখাওয়াত হোসেন, নূরজাহান বেগম ও শারমীন এস মুরশিদ।
এই ঘটনায় পরে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠক হয়। বৈঠকে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠিত হয় বলে সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এই ব্রিফিংয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, এই তদন্ত কমিটিকে আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধান করে আগামী তিন দিনের মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
এই আগুনের ঘটনা দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু এ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গতকাল দিনভর নানা সন্দেহের কথা বলেছেন। গতকাল ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পরিদর্শন শেষে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। আমাদের ব্যর্থ করার এই ষড়যন্ত্রে যে বা যারাই জড়িত থাকবে তাদের বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবে না।’ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর এই বক্তব্য উল্লেখ করা হয়। এর আগে এ নিয়ে ফেসবুকেও স্ট্যাটাস দেন তিনি।
ফেসবুকে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে যে ইঙ্গিত দিয়েছেন তা নিয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হলে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর কিছু অর্থনৈতিক অসংগতি পেয়েছেন। সেটার বিস্তারিত তদন্ত এখনো চলছে। প্রথমে তাঁর ধারণা হয় যে, সেই তদন্তের যে ফাইলগুলো আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সচিবালয়ে আগুনের ঘটনা ষড়যন্ত্র কিনা-ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকেও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, ‘এই প্রশ্নটা আপনার মতো আমাদেরও। কারণ, বাংলাদেশ সচিবালয়ের নিজস্ব একটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে। সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থাটা কি আদৌ ফেইল (ব্যর্থ) করেছে, এটা কি কোনো মানবসৃষ্ট বিপর্যয় নাকি এটা অন্য কোনো বিপর্যয়-এগুলোর উত্তর পাওয়ার জন্য আমাদের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সব কটা সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই এগোচ্ছি।’
নির্বাচিত
জামায়াত জাতীয় সরকারে অংশ নেবে না, শক্তিশালী বিরোধী দল হবে: তাহের
জামায়াতে ইসলামী কোনো জাতীয় সরকারে অংশ নেবে না, বরং শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার ও বিরোধী দল সমন্বিতভাবেই দেশের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করতে পারব বলে আশা করছি।’
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘নির্বাচন-পরবর্তীতে সরকারের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক সাহেব সম্ভাব্য প্রধান বিরোধী দলের প্রধান জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসছিলেন। একটা কার্টেসি ভিজিট। এটাকে আমরা ওয়েলকাম করি। আমি মনে করি, এই ধরনের নিউ কালচার নিজেদের ভেতরে থাকাটা একটা গুণগত পরিবর্তন, একটি ভালো সূচনা।’
তাহের বলেন, ‘অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। সরকারও গঠন করেছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পতন-পরবর্তীতে দুটি দল এবার আলাদাভাবে নির্বাচন করেছি।’
জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার ও বিরোধী দল সমন্বিতভাবেই দেশের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করতে পারব বলে আশা করছি। আমরা এ ব্যাপারে একমত হয়েছি যে, সকলে মিলে একসঙ্গেই একটা কনস্ট্রাকটিভ ফিউচার আমরা গ্রহণ করতে পারব। একটি নতুন বাংলাদেশ আমরা গঠন করতে পারব। নিজেদের ভেতরে মৌলিক কোনো ঝামেলা হলে আলোচনার ভিত্তিতে যাতে পজিটিভ একটা সমাধান আসতে পারে, সেসব বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
তাহের বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো জাতীয় সরকারে অংশগ্রহণ করবে না। জামায়াতে ইসলামী এখানে কনস্ট্রাকটিভ শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে কাজ করবে।
তাহের আরও বলেন, ‘বৈঠকে জামায়াত আমির কয়েকটি প্রায়োরিটি বিষয়ে জোর দিয়ে কথা বলেছেন। প্রথম কথা হচ্ছে, ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন, মানুষের সিকিউরিটি ইস্যুটা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে যেন সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে। এরপরে ইকোনমির ব্যাপারে আমরা কথা বলেছি এবং বিশেষ করে জনগণের যে মৌলিক প্রয়োজনগুলো আছে, খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা এসব বিবেকীয় অগ্রাধিকার পদ্ধতিতে যেন সরকার কাজ করে, সে ব্যাপারে আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘ইটস আ বিগিনিং। আমি মনে করি যে, একটা মৌলিক কোয়ালিটিটিভ চেঞ্জ যাতে আমরা এ দেশে পেতে পারি, সে বিষয়েও আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। পজিটিভ যেকোনো বিষয় আছে, আমরা বলেছি, আমরা কো-অপারেট করব এবং জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে এবং জনগণের কোনো কল্যাণের বিপরীতে যদি সে রকম কোনো ভূমিকা থাকে, আমরা অবশ্যই সে ব্যাপারে প্রতিবাদ এবং ভূমিকা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।’
এর আগে সন্ধ্যায় জামায়াত আমিরের সঙ্গে তাঁর বাসায় সাক্ষাৎ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাসায় বিএনপি চেয়ারম্যানের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান শফিকুর রহমান।
বাংলাদেশের খবর
যমুনাই হবে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন!
বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থায়ী সরকারি বাসভবন নেই। ‘গণভবন’কে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে গড়ে তোলার পর নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে—সেটি এখনো প্রস্তুত হয়নি। অথচ মঙ্গলবার শপথ নিতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এখন সবার নজর রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু ও নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে শপথ নেওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান কোথায় থাকবেন? এ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি মহলে চলছে নানামুখী আলোচনা।
সরকারি সূত্র বলছে, বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস দায়িত্ব ছাড়ার পর যমুনাই হবে প্রধানমন্ত্রীর ঠিকানা। তবে সেটি প্রস্তুত করতেও কমপক্ষে দুই মাস সময় লাগবে। কারণ দায়িত্ব ছাড়ার পরের দিন থেকেই যমুনা খালি হচ্ছে না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস কবে যমুনা ছাড়বেন তা সুনির্দিষ্ট নয়। আবার ছাড়ার পরেও তা নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাসযোগ্য করতে পুরো যমুনা সংস্কার ও আসবাবপত্র সংযোজনের জন্য কমপক্ষে দুই মাস সময় লাগবে।
তবে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ নম্বর বাড়ি এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য হেয়ার রোড ও বেইলি রোডে ১৫টি বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্ট বরাদ্দ রয়েছে। এ ছাড়া বেইলি রোডে তিনটি মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে ৩০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থাকার জন্য সুবিশাল ফ্ল্যাট বাসার ব্যবস্থাও আছে।
অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, মায়ের স্মৃতি ধরে রাখতে তারেক রহমান ফিরোজায় থাকতে পারেন। আবার কেউ বলছেন গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটিতেও থাকতে পারেন তিনি। লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর পরিবার নিয়ে সেখানেই বাস করছেন তারেক রহমান। সেখানে থেকেই কিছু দিন তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ করবেন। ইতিমধ্যে ঐ বাড়িসহ পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত বাড়িতে শুধু তিনি একা পরিবার পরিজন নিয়ে থাকলেই হবে না, তার দপ্তর-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নিরাপত্তায় নিয়োজিতদের বাসস্থানেরও ব্যবস্থা থাকতে হবে। যা গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে নেই।
আবার কেউ কেউ বলছেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্মিত হতে পারে নতুন বাসভবন। তবে সেটি সময়সাপেক্ষ। আবার তারেক রহমানের পছন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ফোর্স, বিশেষ করে এসএসএফের (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) পরামর্শের ওপরও বিষয়টি অনেকটা নির্ভরশীল।
জানা গেছে, গত বছরের ৭ জুলাই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্ধারণের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়। যার নেতৃত্বে রয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থাপত্য অধিদপ্তর ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা।
নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে, তা নিয়ে ঐ কমিটির সদস্যরা কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। প্রথমে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় অবস্থিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বাস্তবতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। কারণ স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের বাড়ি ভেঙে প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি বানালে তারা কোথায় থাকবেন? এর বাইরে স্থপতি লুই আই কানের নকশা সংরক্ষণ না করার অভিযোগ তো রয়েছেই। পরবর্তী সময়ে শেরেবাংলা নগরের পরিত্যক্ত বাণিজ্য মেলার মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নতুন করে বাড়ি বানানোর বিষয়টিও বিবেচনায় আনে ইউনূস সরকার। সেখান থেকে জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে দূরত্বও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তবে সাধারণ মানুষের বিড়ম্বনার কথা বিবেচনা করে সেটিও বাতিল করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা যেখানে (যমুনা) আছেন সেটিই আপাতত প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হতে পারে, তবে আমি নিশ্চিত নই। হয়তো নতুন প্রধানমন্ত্রী নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন ওনার জন্য কোনটি যথাযথ হবে।’
বাংলাদেশের খবর
নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির
পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পেলেন আলী হোসেন ফকির। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদ থেকে পদোন্নতি দিয়ে তাঁকে আইজিপি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পুলিশ-১ অধিশাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আলী হোসেন ফকির ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের সদস্য। তাঁর বাড়ি বাগেরহাটে।
আলী হোসেন ফকির বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য আইজিপি পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তাঁর মেয়াদ আরও প্রায় ৯ মাস বাকি থাকতে নতুন আইজিপি এলেন।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, আলী হোসেন ফকির ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস ক্যাডার হিসেবে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগ দেন। পরে তিনি নেত্রকোনা, ফেনী ও মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনারও ছিলেন। তিনি রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের (আরআরএফ) সিলেটের কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) খুলনা-৩, এপিবিএন ঢাকা-৫ ও এপিবিএন সিলেট-৭-এর অধিনায়ক ছিলেন। আলী হোসেন ফকির বাংলাদেশ পুলিশের হয়ে কসোভো ও আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন শেষে ফেরার পরে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে তাঁকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছিল। এরপর আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও পদোন্নতি দেওয়া হয়নি তাঁকে। ২০২২ সালে তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিগত দেড় দশকে ‘বঞ্চনার শিকার’ অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে বাহিনীতে ফিরিয়ে আনা হয়। এসপি হিসেবে পুলিশে ফেরার পর উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে পদোন্নতি পান আলী হোসেন ফকির। এরপর তিনি ডিআইজি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে এবং স্পেশাল প্রোটেকশন ব্যাটালিয়নে (এসপিবিএন) দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে এপিবিএনে কর্মরত ছিলেন তিনি।
আলী হোসেন ফকিরের জন্ম ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাট জেলার সদর থানায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদে আছেন।
আলী হোসেন ফকিরের সহধর্মিণী অধ্যাপক নাসিমা ফেরদৌসী সরকারি তিতুমীর কলেজের ফিন্যান্স বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
-
টরন্টোর খবর11 months ago
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকারের পদত্যাগের দাবীতে কানাডা আ. লীগের মানববন্ধন ও স্বারকলিপি
-
টরন্টোর খবর1 week ago
টরন্টোতে স্থায়ী শহীদ মিনার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ
-
আন্তর্জাতিক6 days agoইরানে হামলা নিয়ে দোলাচলে ট্রাম্প, দূতদের মতামতের অপেক্ষায়
-
বাংলাদেশের খবর3 weeks ago
ভোটের হার জানতে সব আসনের ফল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে: ইসি সচিব
-
কানাডার খবর1 week ago
টরন্টো স্থায়ী শহীদ মিনার-এ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের আয়োজন
