Connect with us

কানাডার খবর

কানাডায় রিফিউজি স্পন্সর বন্ধ হলো

কানাডায় private sponsorship of refugees (PSR) প্রোগ্রামটা ২০২৬ পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কানাডার ইমিগ্রেশন রিফিউজি এবং সিটিজেনশিপ মন্ত্রণালয়। এই ওয়েবসাইটে নভেম্বর ২৯ তারিখে এক আপডেটে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এখন আপনাদের অনেকের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে জানি এই PSRটা আবার কী? Asylum seek যারা করেছেন তাদের বন্ধ করা হয়েছে কিনা এটা জানার জন্য অনেকেই একেবারে উদগ্রীব হয়ে আছেন। কারণ বর্তমানে কানাডায় asylum seeker এর সংখ্যা প্রত্যাশার চেয়ে বহু গুণে বেড়ে গেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

– Advertisement –

রিফিউজি দুইভাবে হওয়া যায়।

এক; কানাডায় যে কোনোভাবে এসে সাধারণত সবাই ভিজিট ভিসায় এসে সরাসরি এয়ারপোর্টেই asylum seek করে দেন। দেশের থাকা যাচ্ছে না বা নানা রকম সমস্যা এসব অভিযোগ তুলে এই asylum seek claim করেন। তারপর তো একে একে অনেক কিছু করতে হয়। অনেক প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। এসব করে শেষ তুলতে ধরেন অনেক বছর সময় লেগে যায়। শেষ ভালো যার সব ভালো আছে না একটা কথা? তো যার শেষ ভালো হয় আর সঙ্গে কপাল ভালো হয় তাদের একটা পজেটিভ নিউজ থাকে। এদেশে থেকে যাওয়ার অনুমতি পান। PR পান। পর্যায়ক্রমে এসব চলতে থাকে। কিন্তু যতটা সহজে আমি উল্লেখ করে দিলাম, বাস্তবতায় কিন্তু ততটা সহজে কাজ হয় না। অনেক অপেক্ষা থাকে। টাকা-পয়সার খরচ তো থাকেই। যদিও সরকার এসব asylum seeker দের মাসে একটা ভাতা দেন, তাদের বাচ্চারা পাবলিক স্কুলে পড়তে পারে। অসুস্থ asylum seeker রা একটু বেশি ভাতা পান ইত্যাদি। এসবের পরেও asylum seekerদের জীবনযাপন বড়োই দূর্বিষহ হয়ে থাকে। কাজ পাওয়া মুশকিল হয়। বাড়ি থেকে টাকা আনা লাগে। এসব কবে অবসান হয় তা কারোর জানা থাকে না। সুতরাং এই হলো এক ধরণের রিফউজি।

এখন আসা যাক PSR বা private sponsorship of refugees টা কী;

এটা হলো কানাডার বাইরে থাকেন যাঁরা, তাঁরা যদি সেই দেশে নিরাপদ না হন, তাহলে কানাডার নাগরিকরা এমন কাউকে বা কোনো পরিবারকে কানাডায় স্পন্সর করতে পারবেন। তবে ঐসব ক্যান্ডিডেটদের বা refugees under Canada’s refugee and humanitarian program এ থাকতে হবে। আবেদন করার পর এটা এপ্রুভড করবেন কানাডিয়ান ভিসা অফিসার। এসব স্পন্সরশিপে অনেক ক্রাইটেরিয়য়া আছে যা মিট করতে হয়।

ওকে ফাইন। সব ঠিকঠাক মতো হলো। কানাডিয়ানরা বাইরে থেকে রিফিউজি স্পন্সর করে আনলেন। রিজিউজিরাও আসলেন। এখন প্রশ্ন হলো এসব রিফিউজিদের কে ভরণপোষণ দেবে? সরকার? উত্তর হলো জি না।

যেসব কানাডিয়ানরা তাঁদের স্পন্সর করে আনবেন ওনারাই রিফিউজিদের আপ টু ওয়ান ইয়ার পর্যন্ত ভরণপোষণ চালাবেন। তারপর ঐসব রিফিউজিরা PR পান। সিটিজেন হন। মোট কথা শেষমেশ কানাডিয়ান হয়ে যান। এই হলো ঘটনা।

তো হয়েছে কী, এই সুযোগ সরকার আপাতত বন্ধ করে দিয়েছেন। বলা হয়েছে 31 ডিসেম্বর ২০২৫ সাল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পরে আবার চালু হতেও পারে, নাও হতে পারে সময়ই বলে দেবে।

তবে একটা কথা নিশ্চিত থাকুন, সরকার এইটা দিয়ে রিফিউজি বন্ধ শুরু করেছেন। আস্তে আস্তে সব ধরণের রিজিউজি আবেদন বন্ধের ঘোষণা সরকার দিতে বাধ্য হবেন। তার কারণও রয়েছে।

The Immigration and Refugee Board of Canada says there are over 85,000 pending refugee claims as of the end of October.

বুঝেছেন কী অবস্থায়। ৮৫ হাজার পেন্ডিং হয়ে পড়ে আছে। আরো বাড়তেছে বা বাড়বে। সরকার কীভাবে কী করবেন? শেষে ঘোষণা দেবেন সব শেষ। গো টু হোম নাও।

আর এসব পেন্ডিং কেসও যে সফলতা পাবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই।

তারপরেও যাঁরা দেশ থেকে সব শেষ করে asylum seek করার আশায় বুক বাঁধবেন তাঁদের এখনই ভেবে দেখতে হবে জীবনের মানে খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা।

Continue Reading

কানাডার খবর

টরন্টো স্থায়ী শহীদ মিনার-এ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের আয়োজন

Published

on

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। অমর একুশে আমাদের চেতনার প্রেরণা।
সুধী,
২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান একুশে ফেব্রুয়ারি সর্বজনীনভাবে উদযাপন করা হবে। ২০শে ফেব্রুয়ারি টরন্টো স্থায়ী শহীদ মিনার-এ রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের আয়োজন করা হয়েছে।
আপনাদের সাদর আমন্ত্রণ রইল।
ধন্যবাদান্তে,
সর্বজনীন আয়োজক কমিটি

Continue Reading

কানাডার খবর

৭ অপরাধী চক্রকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করলো কানাডা

Published

on

মাদক, সন্ত্রাস ও অর্থপাচার রোধে সম্প্রতি কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সাতটি অপরাধী চক্রকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে দেশটি। পাশাপাশি, অর্থপাচার রোধে ব্যাংকের সঙ্গে নতুন একটি অংশীদারিত্ব ঘোষণা করেছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

দেশটির জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তালিকায় থাকা সংগঠনের মধ্যে রয়েছে মারা সালভাত্রুচা, কারতেল দে সিনালোয়া এবং ত্রেন দে আরাগুয়া।

কানাডার ঘোষণার একদিন আগে, ত্রেন দে আরাগুয়া, সিনাওলাসহ একাধিক মাদক পাচারকারী চক্রকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী সংগঠন বলে তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করেছিলেন, মাদক চক্রগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে।

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে জননিরাপত্তামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগুইনটি বলেছেন, চিহ্নিত সংগঠনগুলো নৃশংসতার মাধ্যমে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে রাখে। তারা মানব, মাদক এবং অবৈধ অস্ত্র পাচারের সঙ্গেও যুক্ত থাকে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমাদের পথেঘাটে অবৈধ ফেন্টানিলের বিক্রি যেমন বন্ধ হবে তেমনি যুক্তরাষ্ট্রে পাচারও কমবে।

তালিকাভুক্ত বাকি চার সংগঠন হলো কারতেল দেল গলফো, লা ফামিলিয়া মিচোয়াকানা, কারতেলেস ইউনিদোস এবং কারতেল দে জালিসকো নুয়েভা জেনারেসিওন।

মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচার দমনের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কানাডার অর্থ মন্ত্রণালয় এক নতুন অংশীদারত্বের ঘোষণা দেয়, যেখানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, কেন্দ্রীয় সরকার এবং দেশের বড় ব্যাংকগুলো একত্রে অর্থ পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য বিনিময় করবে।

মাদকপাচার রোধে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেভিন ব্রোসো বুধবার এই অংশীদারত্বের প্রথম বৈঠক পরিচালনা করেন। সেখানে ব্যাংকের প্রধান অর্থ পাচাররোধী কর্মকর্তারা এবং পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

কানাডার খবর

টরন্টো বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজ উল্টে আহত ১৮

Published

on

কানাডার টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় যাত্রীবাহী একটি বিমান উল্টে গেছে। সোমবারের (১৭ ফেব্রুয়ারি) এ ঘটনায় শিশুসহ কমপক্ষে ১৮ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন দেশটির জরুরি সেবা বিভাগের কর্মকর্তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডেল্টা এয়ারলাইন্সের ওই বিমানটি মিনিয়াপোলিস থেকে টরন্টো আসছিল। অবতরণকালে তাতে ৮০ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। দুর্ঘটনার পর সবাইকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

অন্টারিও এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর তারা তিনটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স হেলিকপ্টারসহ পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে।

উড়োজাহাজটি ঠিক কী কারণে উল্টে গেছে, সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে দুর্ঘটনার আগে টরন্টোতে ব্যাপক তুষারপাত হয়েছিল বলে জানা গেছে। যদিও দমকল বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ঘটনার সময় বিমানবন্দরের রানওয়ে শুষ্ক ছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুর্ঘটনার বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে তুষারাবৃত টারমার্কে একটি উড়োজাহাজ উল্টে পড়ে আছে। ঘটনার পর ধারণ করা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় যাত্রীরা উল্টে যাওয়া বিমানের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসছেন। উড়োজাহাজটির অন্তত একটি পাখা ভেঙে গেছে বলেও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে।

ভিডিও ধারণ করা এক যাত্রী বলেছেন, আমরা সবেমাত্র টরন্টোয় অবতরণ করেছি। আমাদের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, এটি উল্টে গেছে।

টরন্টো পিয়ারসন বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডেবোরা ফ্লিন্ট এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, বিমান উল্টে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি। বিমানের যাত্রীদের মধ্যে কানাডা ছাড়াও আরও অনেক দেশের নাগরিক ছিলেন বলেও জানান মিজ ফ্লিন্ট।

রানওয়েতে বিমান উল্টে যাওয়ার ঘটনাকে ‘গুরুতর ঘটনা’ বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার পরিবহনমন্ত্রী অনিতা আনন্দ। তিনি নিবিড়ভাবে বিষয়টিকে পর্যবেক্ষণ করছেন বলেও জানিয়েছেন।

ঘটনার পর দ্রুত যাত্রীদের উদ্ধার করায় উদ্ধারকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ।

অন্যদিকে, কানাডার ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (টিএসবি) বলেছে যে, তারা দুর্ঘটনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়ন করার জন্য একটি দলকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছে।

দুর্ঘটনার পর সাময়িক সময়ের জন্য বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবশ্য স্বাভাবিক বিমান চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে তদন্তের জন্য বিমানবন্দরের দুটি রানওয়ে বেশ কয়েকদিন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বিমান ওঠা-নামায় কিছুটা বিলম্ব হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তর আমেরিকায় একের পর এক বিমান দুর্ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যে জানুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে একটি সামরিক হেলিকপ্টারের সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে অন্তত ৬৭ জন প্রাণ হারান। এরপর ফিলাডেলফিয়ায় আরেকটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে কমপক্ষে সাতজন নিহত হন।

Continue Reading

Trending

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আব্দুর রহিম Copyright © 2026 Amader Kantho. Theme by MVP Themes, powered by WordPress.