বাংলাদেশের খবর
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে হামলার সময় এলাকাবাসীর ধাওয়া, আহত ৩
ঢাকার সাভার উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে হামলার সময় প্রতিরোধ করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব ও যুগ্ম সম্পাদক ফখরুল আলম সমরের বাবার বাড়ি ‘রাজ মঞ্জিল’ ভাঙচুর করতে আসে বিক্ষুব্ধ জনতা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজীব ও সমর এই বাড়িতে বাস করলেও গত ৫ আগস্টের পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন। এ সুযোগে বাড়িটি ভাঙতে আসেন একদল লোক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষুব্ধ জনতা বিকালে সাভারের পাকিজা মোড়ে জড়ো হন এবং সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজ মঞ্জিলের সামনে আসেন। তারা হ্যান্ডমাইকে ঘোষণা দেন, ‘দেশ থেকে সব স্বৈরাচারকে বের করে দেওয়া হবে’, ‘স্বৈরাচারের আস্তানা ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হবে’, ‘শহীদদের অবদান বৃথা হতে দেওয়া হবে না’।
এরপর তারা রাজ মঞ্জিলের প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে জানলার কাচ ভাঙচুর করেন। ভবনের বাইরের একটি অংশে আগুন দিতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা তাদের বাধা দেন।
বিক্ষুব্ধ জনতা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে শতাধিক এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া দেন এবং কয়েকজনকে ধরে পিটুনি দেন। রাতে আবার সেখানে জড়ো হন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘তারা (রাজীব-সমর) তো বাড়িতে নেই, তাহলে ভাঙচুর কেন করতে হবে! এখানে আগুন দিলে আশেপাশের বাড়ি-ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়বে।’
তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কথা না শোনায় আমরা ধাওয়া দিয়ে তাদের সরিয়ে দিয়েছি। আবারও কেউ এমন কাজ করতে এলে প্রতিহত করবে।’
আরেক বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘ওরা (ভাঙচুরকারী) আজকে এই বাড়িতে আগুন দিতে আসছে। এখানে আগুন দিলে এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়বে। আমরা এটা হতে দিতে পারি না।’
বিক্ষুব্ধ জনতার ভিড়ে ছিলেন মাহিদ হাসান রাফসান। তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে রাজীবের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছিলাম। এর মধ্যে রাজীবের আত্মীয়-স্বজন ও পেটোয়া বাহিনীর একটি অংশ নিজেরা পরিস্থিতি ঘোলাটে করে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমাদের দুই-তিন জন আহত হয়েছেন।’
নির্বাচিত
জামায়াত জাতীয় সরকারে অংশ নেবে না, শক্তিশালী বিরোধী দল হবে: তাহের
জামায়াতে ইসলামী কোনো জাতীয় সরকারে অংশ নেবে না, বরং শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার ও বিরোধী দল সমন্বিতভাবেই দেশের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করতে পারব বলে আশা করছি।’
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘নির্বাচন-পরবর্তীতে সরকারের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক সাহেব সম্ভাব্য প্রধান বিরোধী দলের প্রধান জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসছিলেন। একটা কার্টেসি ভিজিট। এটাকে আমরা ওয়েলকাম করি। আমি মনে করি, এই ধরনের নিউ কালচার নিজেদের ভেতরে থাকাটা একটা গুণগত পরিবর্তন, একটি ভালো সূচনা।’
তাহের বলেন, ‘অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। সরকারও গঠন করেছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পতন-পরবর্তীতে দুটি দল এবার আলাদাভাবে নির্বাচন করেছি।’
জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার ও বিরোধী দল সমন্বিতভাবেই দেশের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করতে পারব বলে আশা করছি। আমরা এ ব্যাপারে একমত হয়েছি যে, সকলে মিলে একসঙ্গেই একটা কনস্ট্রাকটিভ ফিউচার আমরা গ্রহণ করতে পারব। একটি নতুন বাংলাদেশ আমরা গঠন করতে পারব। নিজেদের ভেতরে মৌলিক কোনো ঝামেলা হলে আলোচনার ভিত্তিতে যাতে পজিটিভ একটা সমাধান আসতে পারে, সেসব বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’
তাহের বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো জাতীয় সরকারে অংশগ্রহণ করবে না। জামায়াতে ইসলামী এখানে কনস্ট্রাকটিভ শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে কাজ করবে।
তাহের আরও বলেন, ‘বৈঠকে জামায়াত আমির কয়েকটি প্রায়োরিটি বিষয়ে জোর দিয়ে কথা বলেছেন। প্রথম কথা হচ্ছে, ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন, মানুষের সিকিউরিটি ইস্যুটা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে যেন সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে। এরপরে ইকোনমির ব্যাপারে আমরা কথা বলেছি এবং বিশেষ করে জনগণের যে মৌলিক প্রয়োজনগুলো আছে, খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা এসব বিবেকীয় অগ্রাধিকার পদ্ধতিতে যেন সরকার কাজ করে, সে ব্যাপারে আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘ইটস আ বিগিনিং। আমি মনে করি যে, একটা মৌলিক কোয়ালিটিটিভ চেঞ্জ যাতে আমরা এ দেশে পেতে পারি, সে বিষয়েও আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। পজিটিভ যেকোনো বিষয় আছে, আমরা বলেছি, আমরা কো-অপারেট করব এবং জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে এবং জনগণের কোনো কল্যাণের বিপরীতে যদি সে রকম কোনো ভূমিকা থাকে, আমরা অবশ্যই সে ব্যাপারে প্রতিবাদ এবং ভূমিকা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।’
এর আগে সন্ধ্যায় জামায়াত আমিরের সঙ্গে তাঁর বাসায় সাক্ষাৎ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাসায় বিএনপি চেয়ারম্যানের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান শফিকুর রহমান।
বাংলাদেশের খবর
যমুনাই হবে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন!
বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থায়ী সরকারি বাসভবন নেই। ‘গণভবন’কে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে গড়ে তোলার পর নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে—সেটি এখনো প্রস্তুত হয়নি। অথচ মঙ্গলবার শপথ নিতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এখন সবার নজর রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু ও নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে শপথ নেওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান কোথায় থাকবেন? এ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি মহলে চলছে নানামুখী আলোচনা।
সরকারি সূত্র বলছে, বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস দায়িত্ব ছাড়ার পর যমুনাই হবে প্রধানমন্ত্রীর ঠিকানা। তবে সেটি প্রস্তুত করতেও কমপক্ষে দুই মাস সময় লাগবে। কারণ দায়িত্ব ছাড়ার পরের দিন থেকেই যমুনা খালি হচ্ছে না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস কবে যমুনা ছাড়বেন তা সুনির্দিষ্ট নয়। আবার ছাড়ার পরেও তা নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাসযোগ্য করতে পুরো যমুনা সংস্কার ও আসবাবপত্র সংযোজনের জন্য কমপক্ষে দুই মাস সময় লাগবে।
তবে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ নম্বর বাড়ি এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য হেয়ার রোড ও বেইলি রোডে ১৫টি বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্ট বরাদ্দ রয়েছে। এ ছাড়া বেইলি রোডে তিনটি মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে ৩০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থাকার জন্য সুবিশাল ফ্ল্যাট বাসার ব্যবস্থাও আছে।
অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, মায়ের স্মৃতি ধরে রাখতে তারেক রহমান ফিরোজায় থাকতে পারেন। আবার কেউ বলছেন গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটিতেও থাকতে পারেন তিনি। লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর পরিবার নিয়ে সেখানেই বাস করছেন তারেক রহমান। সেখানে থেকেই কিছু দিন তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ করবেন। ইতিমধ্যে ঐ বাড়িসহ পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত বাড়িতে শুধু তিনি একা পরিবার পরিজন নিয়ে থাকলেই হবে না, তার দপ্তর-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নিরাপত্তায় নিয়োজিতদের বাসস্থানেরও ব্যবস্থা থাকতে হবে। যা গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে নেই।
আবার কেউ কেউ বলছেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্মিত হতে পারে নতুন বাসভবন। তবে সেটি সময়সাপেক্ষ। আবার তারেক রহমানের পছন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ফোর্স, বিশেষ করে এসএসএফের (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) পরামর্শের ওপরও বিষয়টি অনেকটা নির্ভরশীল।
জানা গেছে, গত বছরের ৭ জুলাই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্ধারণের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়। যার নেতৃত্বে রয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থাপত্য অধিদপ্তর ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা।
নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে, তা নিয়ে ঐ কমিটির সদস্যরা কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। প্রথমে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় অবস্থিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বাস্তবতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। কারণ স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের বাড়ি ভেঙে প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি বানালে তারা কোথায় থাকবেন? এর বাইরে স্থপতি লুই আই কানের নকশা সংরক্ষণ না করার অভিযোগ তো রয়েছেই। পরবর্তী সময়ে শেরেবাংলা নগরের পরিত্যক্ত বাণিজ্য মেলার মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নতুন করে বাড়ি বানানোর বিষয়টিও বিবেচনায় আনে ইউনূস সরকার। সেখান থেকে জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে দূরত্বও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তবে সাধারণ মানুষের বিড়ম্বনার কথা বিবেচনা করে সেটিও বাতিল করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা যেখানে (যমুনা) আছেন সেটিই আপাতত প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হতে পারে, তবে আমি নিশ্চিত নই। হয়তো নতুন প্রধানমন্ত্রী নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন ওনার জন্য কোনটি যথাযথ হবে।’
বাংলাদেশের খবর
নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির
পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পেলেন আলী হোসেন ফকির। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদ থেকে পদোন্নতি দিয়ে তাঁকে আইজিপি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পুলিশ-১ অধিশাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আলী হোসেন ফকির ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের সদস্য। তাঁর বাড়ি বাগেরহাটে।
আলী হোসেন ফকির বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য আইজিপি পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তাঁর মেয়াদ আরও প্রায় ৯ মাস বাকি থাকতে নতুন আইজিপি এলেন।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, আলী হোসেন ফকির ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস ক্যাডার হিসেবে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগ দেন। পরে তিনি নেত্রকোনা, ফেনী ও মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনারও ছিলেন। তিনি রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের (আরআরএফ) সিলেটের কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) খুলনা-৩, এপিবিএন ঢাকা-৫ ও এপিবিএন সিলেট-৭-এর অধিনায়ক ছিলেন। আলী হোসেন ফকির বাংলাদেশ পুলিশের হয়ে কসোভো ও আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন শেষে ফেরার পরে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে তাঁকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছিল। এরপর আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও পদোন্নতি দেওয়া হয়নি তাঁকে। ২০২২ সালে তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিগত দেড় দশকে ‘বঞ্চনার শিকার’ অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে বাহিনীতে ফিরিয়ে আনা হয়। এসপি হিসেবে পুলিশে ফেরার পর উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে পদোন্নতি পান আলী হোসেন ফকির। এরপর তিনি ডিআইজি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে এবং স্পেশাল প্রোটেকশন ব্যাটালিয়নে (এসপিবিএন) দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে এপিবিএনে কর্মরত ছিলেন তিনি।
আলী হোসেন ফকিরের জন্ম ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাট জেলার সদর থানায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদে আছেন।
আলী হোসেন ফকিরের সহধর্মিণী অধ্যাপক নাসিমা ফেরদৌসী সরকারি তিতুমীর কলেজের ফিন্যান্স বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
-
টরন্টোর খবর11 months ago
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকারের পদত্যাগের দাবীতে কানাডা আ. লীগের মানববন্ধন ও স্বারকলিপি
-
টরন্টোর খবর1 week ago
টরন্টোতে স্থায়ী শহীদ মিনার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ
-
আন্তর্জাতিক6 days agoইরানে হামলা নিয়ে দোলাচলে ট্রাম্প, দূতদের মতামতের অপেক্ষায়
-
বাংলাদেশের খবর3 weeks ago
ভোটের হার জানতে সব আসনের ফল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে: ইসি সচিব
-
বাংলাদেশের খবর3 weeks ago
‘দেশের ইতিহাসে অন্যতম ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে’
